ব্রাদার্সের চেক বাউন্স, টাকা পেলেন না ক্রিকেটাররা

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২০, সকাল ৯:২৩

সিনিয়র করেসপন্ডেন্টঃ করোনার কারণে এক রাউন্ড পরই স্থগিত হয়ে গেছে বঙ্গবন্ধু ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ। তাই অনেক ক্লাবই পারিশ্রমিক দেয়নি ক্রিকেটারদের। গত ৮ জুলাই কোয়াবের (ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) সঙ্গে মিটিংয়ে ছিলেন সিসিডিএম (ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস) চেয়ারম্যান কাজী ইনাম আহমেদ। মিটিং থেকে ক্লাবগুলোকে আহ্বান জানিয়েছিলেন, ক্রিকেটারদের প্রথম কিস্তির পারিশ্রমিক দিতে।

কিন্তু সিসিডিএম চেয়ারম্যানের কথা ধোপে টিকেনি। ক্রিকেটাররা বলার মতো কোনো পারিশ্রমিকই পাননি। বিশেষ করে কোনো পারিশ্রমিক না পাওয়া ক্লাবগুলোর ক্রিকেটাররা। ২০১৯-২০ মৌসুমের শুরুতে চারটি ক্লাব (শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব, শাইনপুকুর, ওল্ডডিওএইচএস ও ব্রাদার্স ইউনিয়ন ) ক্রিকেটারদের দেয়নি। ঈদুল ফিতরের আগে ব্রাদার্স ছাড়া তিনটি ক্লাবই পারিশ্রমিক দিয়েছিল ক্রিকেটারদের।

ভাগ্য বিড়ম্বিত শুধু ব্রাদার্সে নাম লেখানো ক্রিকেটারদের। ঈদুল ফিতর গেছে, অত্যাসন্ন ঈদুল আযহায়ও কোনো কানাকড়ি পাচ্ছেন না তারা। এমনকি ক্রিকেটারদের দেয়া ব্রাদার্সের চেক বাউন্স হয়েছে। ব্যাংক হিসেবটিতে পর্যাপ্ত টাকা ছিল না।

সংবাদ মাধ্যমকে এমন তথ্য জানিয়েছেন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার তুষার ইমরান। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১১ হাজার রানের মালিক এই ব্যাটসম্যান বলেছেন, ‘লিগ শুরুর তিন দিন আগের (১২ মার্চ) তারিখে চেক দেয়া হয়েছিল আমাদেরকে। ওই চেকে চুক্তির ৪০ থেকে ৪৫ পার্সেন্ট অংক লেখা ছিল।  আমরা চেক জমা দিতে যাব, এমন সময় দলের ম্যানেজার আমিন খান ভাই চেকটি দুই-তিন দিন পর জমা দিতে বললেন।

কিন্তু চেকের বিপরীতে টাকা জমা নেই বলে আমরা মাসের পর মাস অপেক্ষা করেছি। হিসেবে চুক্তির ৫০%  আমাদের পাওয়ার কথা। ফোন দিলে স্পন্সরদের কেউ ধরে না। ম্যানেজার আমিন খান স্পন্সরের সঙ্গে কথা বলে কোরবানীর ঈদ এর আগে পেমেন্ট আদায়ের ব্যাপারে আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছিলেন।  কিন্তু প্রথম কিস্তির টাকাও তো পেলাম না।’

অভিযোগ স্বীকার করেছেন ব্রাদার্সের ম্যানেজার আমিন খানও। স্পন্সরদের ব্যবসায় মন্দা বলেই এমনটা হয়েছে। তবে কয়েকদিন আগে ক্রিকেটারদের ৪ লাখ টাকা ভাগাভাগি করে নিতে বলেছিল ব্রাদার্স। সেটা করতে রাজি হননি ক্রিকেটাররা।