প্রচ্ছদ / উইকেট রক্ষার প্রক্সি রক্ষক

একদা এক সময় ছিল যখন 'উইকেটরক্ষক - ব্যাটসম্যান' টার্মটা ক্রিকেটে সেভাবে প্রচলিত ছিলনা। কারণ, একজন উইকেটরক্ষক উইকেটের পেছনে ভাল করলে আর কাজ চালানোর মতো ব্যাটিং জানলেই দলে তার জায়গা পাকা ছিল। তবে ক্রিকেটে যুগ যুগ ধরে আসা এ ধারণা আমূল পাল্টে দেন সাবেক অজি স্টার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট। তিনি বিশ্বদরবারে একেবারে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেন যে, উইকেটরক্ষকরাও দলের মূল ব্যাটসম্যান হতে পারে। এর আগে অবশ্য শ্রীলঙ্কান রমেশ কালুভিতারানা উক্ত ধারণাকে কিঞ্চিৎ ভুল প্রমাণ করতে সমর্থ হয়েছিলেন তবে তিনি কেবলমাত্র পিঞ্চ হিটার হিসেবেই নিখাঁদ বিনোদনের পসরা সাজিয়ে দর্শকমনে ঠাঁই করে নিতেন। কালের পরিক্রমায় আমরা কুমার সাঙ্গাকারা, মহেন্দ্র সিং ধোনি থেকে শুরু করে মুশফিকুর রহিম, এ বি ডি ভিলিয়ার্স, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, কুইন্টন ডি কক, জস বাটলার সহ অনেককে পেয়েছি যারা কিনা উইকেটের সামনে-পেছনে সমানভাবে নেতৃত্ব দিয়ে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করেছেন।

 

অতীতে হরহামেশাই মাত্র একজন উইকেটরক্ষক নিয়ে দল সাজানো হতো। সে ইঞ্জুরিতে পড়ে গেলে বাধ্য হয়ে দলের অন্য খেলোয়াড়কে পার্ট-টাইম উইকেটরক্ষকের ভূমিকা পালন করতে হতো, যাদেরকে ক্রিকেটীয় ভাষায় 'স্ট্যান্ড - ইন উইকেটকিপার' বলা হয়। তবে আইসিসির নতুন নিয়মের ধারা ২৪.১.২ অনুযায়ী উইকেটরক্ষক ইনজুরড হলে আম্পায়ারের অনুমতি সাপেক্ষে বদলি খেলোয়াড়কে উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া যাবে। যে কারণে এখন প্রায় প্রতিটি দলই তাদের ১৫ সদস্যের স্কোয়াডে একজন বাড়তি উইকেটরক্ষককে রাখে। পাশাপাশি ব্যাটিং সামর্থ্যের বিচারে অনেক উইকেটরক্ষক শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবেও খেলে থাকেন, যারা কিনা দলের প্রয়োজনে কিপিং গ্লাভসজোড়াও তুলে নিতে প্রস্তুত। ফলশ্রুতিতে, ক্রিকেটে এখন 'স্ট্যান্ড-ইন উইকেটকিপার' দেখার সুযোগ আর নেই বললেই চলে। প্রিয় পাঠক, চলুন দেখে আসি টাইগার ক্রিকেটে কারা দলের প্রয়োজনে গ্লাভসজোড়া হাতে তুলে নিয়ে উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়েছেন -


শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ (২০০০)

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম 'স্ট্যান্ড-ইন উইকেটকিপার' হিসেবে বিবেচনা করা হয় শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ কে। ২০০০ সালে ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক অভিষেক টেস্টে নিয়মিত উইকেটরক্ষক খালেদ মাসুদ পাইলটের হাঁটুর ইঞ্জুরিতে উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন এই স্টাইলিশ ব্যাটসম্যান। পাইলটের অনুপস্থিতিতে অবশ্য দলকে ভালই সার্ভিস দেন। সে ম্যাচে অধিনায়ক নাইমুর রহমান দূর্জয়ের বলে সাবা করিমকে স্ট্যাম্পিং এর ফাঁদে ফেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের একমাত্র ডিসমিসালের দেখা পান তিনি।

 

মেহেরাব হোসেন অপি (২০০১) 

নিয়মিত উইকেটরক্ষক হিসেবে প্রথম পছন্দ ছিলেন যিনি, লম্বা সময় ধরে যিনি বাংলাদেশের উইকেটকিপিং এর দায়িত্ব সামলেছেন, তিনি খালেদ মাসুদ পাইলট। তবে ২০০১ সালে জিম্বাবুয়ে সফরের দ্বিতীয় টেস্টে পাইলটের অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশ দল ঘোষণা করা হয় মেহেরাব হোসেন অপিকে উইকেটকিপার হিসেবে রেখে! তিনি মূলতঃ ব্যাটসম্যান ছিলেন, পাশাপাশি মাঝেমধ্যে মিডিয়াম পেস বোলিং করতেন। তবে এই একটিমাত্র ম্যাচেই তাকে উইকেটরক্ষকের ভূমিকায় খেলানো হয়। বাংলাদেশের ৮ উইকেটে হারা সে ম্যাচে উইকেটের পেছনে মোহাম্মদ শরীফের বলে হিথ স্ট্রিকের ক্যাচ নেওয়ার পাশাপাশি দুটো রান আউটেও অবদান রেখেছিলেন ওয়ানডেতে বাংলাদেশের এই প্রথম সেঞ্চুরিয়ান। 

 

রাজিন সালেহ (২০০৭)

২০০৭ সালে ভারতের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে ভারতের টপ অর্ডারের প্রথম চার ব্যাটসম্যানই (দীনেশ কার্তিক, ওয়াসিম জাফর, রাহুল দ্রাবিড়, শচীন টেন্ডুলকার) সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন। ভারতের রানবন্যার বিপরীতে বাংলাদেশ কেবলমাত্র অস্থায়ী বালুর বাঁধ দিতে সক্ষম হয়। এর সাথে মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে  যুক্ত হয় প্রধান উইকেটরক্ষক খালেদ মাসুদ পাইলটের ইঞ্জুরি। ভারতীয় ইনিংসের মাঝখানে পাইলট ইঞ্জুরিতে মাঠ ছাড়লে গ্লাভস হাতে উইকেটের পেছনে দাঁড়াতে হয়েছিল রাজিন সালেহকে। খণ্ডকালীন উইকেটরক্ষক হিসেবে অবশ্য খারাপ করেননি তিনি, মোহাম্মদ রফিকের বলে সৌরভ গাঙ্গুলির ক্যাচ নিয়ে নামের পাশে একটি ডিসমিসাল যুক্ত করেন। 

 

সাকিব আল হাসান (২০০৭)

তালিকায় এ নামটি দেখে অনেকের চোখ হয়তো কপালে উঠতে পারে। কিন্তু অবাক হওয়ার কিছুই নেই। কারণ, তিনি যে পুরোদস্তুর অলরাউন্ডার!  ব্যাটিং - বোলিং - ফিল্ডিং এ তো সবসময়ই দলের প্রধান কান্ডারী, উইকেট কিপিংটা বাদ থাকবে কেন? হ্যা, উইকেট কিপিংয়ের মধ্যে দিয়ে ক্রিকেটের ষোলকলা পূর্ণ হয়েছিল সাকিব আল হাসানের। ২০০৭ সালে ভারতের বিপক্ষে টেস্টেই ভারতের ইনিংসের একদম শেষদিকে রাজিন সালেহর বদলে গ্লাভস হাতে তুলে নেন সাকিব আল হাসান। অবশ্য খুব বেশি সময় সাকিবকে গ্লাভস পরে উইকেটের পেছনে থাকতে হয়নি। মাত্র ২ ওভার পরই ইনিংস ঘোষণা দিয়ে দেন তৎকালীন ভারতীয় কাপ্তান রাহুল দ্রাবিড়। ফলাফলস্বরূপ, কোনো ডিসমিসালের সাক্ষীও হতে পারেননি এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। 


শামসুর রহমান শুভ (২০১৪)

২০১৪ সাল। চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সফরকারী শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ইনজুরিতে পড়েন নিয়মিত উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিম। এতে উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন শামসুর রহমান শুভ। তবে গ্লাভস হাতে কোনো ডিসমিসাল করতে না পারলেও সেই টেস্ট স্মরণীয় হয়ে থাকবে সাবেক এই ওপেনারের জন্য। কারণ, এই টেস্টেই যে ক্যারিয়ারের প্রথম এবং একমাত্র সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন তিনি!

 

ইমরুল কায়েস (২০১৫, ২০১৭)

২০১৫ সালে প্রথমবারের মত ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার পর টেস্টে বেশ আত্মবিশ্বাস নিয়েই মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। খুলনার ব্যাটিং উইকেটে বাংলাদেশ আগে ব্যাট করে স্কোরবোর্ডে ৩৩২ রান জমা করতে সক্ষম হয়। জবাব দিতে নেমে বেশ দাপুটে সূচনা পায় পাকিস্তান। কিন্তু, দিনের শেষ সেশনে উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিম ইনজুরিতে পড়ায় অগত্যা গ্লাভসজোড়া হাতে তুলে নিতে হয় ইমরুল কায়েসকে। মজার বিষয় হচ্ছে, সেবারই ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো উইকেটরক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন তিনি। চতুর্থ দিনের প্রথম সেশন পর্যন্ত দীর্ঘ ১২০ ওভার উইকেট কিপিং করতে হয় তাকে। তবে দুঃখজনকভাবে কোন ডিসমিসালের দেখা পাননি তিনি। পাকিস্তানের ইনিংস শেষে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের সময় ইমরুল যখন ব্যাট-প্যাড পরে নামছেন, তখনও কি জানতেন যে ইতিহাস গড়তে যাচ্ছেন তিনি! ১২০ ওভার উইকেটকিপিংয়ের পর ওপেনিংয়ে নেমে খেলেন ২৪০ বলে ১৫০ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস। তামিমের সাথে অনবদ্য তিনশোর্ধ্ব রানের ওপেনিং জুটির বদৌলতেই ইনিংস পরাজয়ের দোরগোড়ায় থাকা ম্যাচটি ড্র করে মাঠ ছাড়ে টাইগাররা। 

 

এবার চলে আসি ২০১৭ সালের ওয়েলিংটন টেস্টে।  সাকিব আল হাসানের ডাবল সেঞ্চুরির সে ম্যাচে ৫৯৫ রানে ইনিংস ডিক্লেয়ার করে বাংলাদেশ দল। জবাবে নিউজিল্যান্ড ব্যাট করতে নামলে উইকেটরক্ষক মুশফিক ইঞ্জুরি কবলিত হলে দ্বিতীয়বারের মতো স্ট্যান্ড-ইন উইকেটরক্ষক হিসেবে আবির্ভূত হন ইমরুল কায়েস। এবার তাকে আর খালি হাতে ফিরতে হয়নি। উইকেটের পেছনে পাঁচ পাঁচটি ক্যাচ নিয়ে স্ট্যান্ড-ইন উইকেটকিপারদের মধ্যে এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ডিসমিসালের এক অনবদ্য রেকর্ড গড়েন ইমরুল কায়েস! সে ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং ভরাডুবি হলেও একপ্রান্তে ৩৬ রানে অপরাজিত ছিলেন ইমরুল। কে জানে, বাংলাদেশ ম্যাচটি জিতে গেলে হয়তো 'ম্যান অব দ্য ম্যাচ'ও হয়ে যেতে পারতেন তিনি। 

 

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (২০১৫)

পাকিস্তানের বিপক্ষে খুলনা টেস্টে টানা ১২০ ওভার উইকেট কিপিং করার পর ইমরুল কায়েস যখন দেখলেন, পাকিস্তানের ইনিংস কয়েক ওভারের মধ্যেই শেষ হলে তাকে ওপেনিংয়ে নামতে হবে, ঠিক তখনই তিনি গ্লাভসজোড়া তুলে দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের হাতে। ফলে একই ম্যাচে দ্বিতীয় স্ট্যান্ড-ইন উইকেটকিপার হিসেবে অভিষিক্ত হন মাহমুদউল্লাহ। মাত্র ১০ ওভার উইকেটকিপিং করেছেন। কিন্তু ততক্ষণে তার নাম ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই পেয়ে গিয়েছে। কিভাবে? হ্যা,পাঠক। তাইজুল ইসলামের বলে জুলফিকার বাবরকে এক অদ্ভুত স্ট্যাম্পিংয়ের মাধ্যমে প্যাভিলিয়নে ফিরিয়ে সাবেক কিউই অলরাউন্ডার জন রিডের পর মাত্র দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে সেঞ্চুরি, পাঁচ উইকেট এবং স্ট্যাম্পিং – এই 'ত্রয়ী'র মাইলফলক স্পর্শের গৌরব অর্জন করেন মাহমুদউল্লাহ। 

 

সাব্বির রহমান (২০১৭)

উইকেটরক্ষকের 'প্রক্সিম্যান' হিসেবে অন্যতম সেরা যে ইমরুল কায়েস, তার প্রমাণ আমরা ২০১৭ সালের ওয়েলিংটন টেস্টেই পেয়েছি। তবে সেদিনের রেকর্ড গড়া ম্যাচে এক পর্যায়ে ইমরুলের ইঞ্জুরি আশংকা জাগ্রত হলে, তার স্থলাভিষিক্ত করা হয় তরুণ তুর্কি সাব্বির রহমানকে। তবে ৪০ ওভার উইকেট কিপিং করেও দূর্ভাগ্যজনকভাবে কোন ডিসমিসালের দেখা পাননি এই হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান।

এ বিভাগের আরও নিউজ

টেলএন্ডারদের দৈন্য ব্যাটিং একাদশ

সোমবার, ১১ জানুয়ারি ২০২১, দুপুর ১২:১১

মুহাম্মদ আশিক সৈকতঃ ক্রিকেটীয় পরিভাষায় 'টেলএন্ডার' বলতে সাধারণত একদম নিচের সারির ব্যাটসম্যানদের বোঝানো হয়, যাদের ব্যাটিং অর্ডার সাধারণত আট নম্বর থেকে শুরু হয়। মূলতঃ তাদের প্রধান কা

দ্য পেইন কিলার!

বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২০, রাত ১২:২৭

মুহাম্মদ আশিক সৈকতঃ আমার স্পষ্ট মনে আছে, যখন আমার বান্ধবী কাজে যেত, আমি চুপচাপ সোফায় বসে কাঁদতাম। শুধু মনে হতো, সবাইকে হতাশ করছি আমি। লম্বা সময় ধরে রান পাচ্ছিলাম না। খেতে পারতাম না

মুখোমুখি তামিম ইকবাল

বুধবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২০, সন্ধ্যা ৬:৪২

ESPNCricinfo এর মুখোমুখি হয়েছিলেন বাংলাদেশের সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল খান। সেখানে তাকে ঝটপট ২৫ টি প্রশ্নের উত্তর দিতে বলা হয়

ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বাংলাদেশ সফর, ২০২১

বাংলাদেশ  ওয়েষ্ট ইন্ডিজ

২০ জানুয়ারি ২০২১, দুপুর ২টা

বিগ ব্যাস, ২০২০/২১

মেলবোর্ন রেনেগেডস  মেলবোর্ন স্টারস

২০ জানুয়ারি ২০২১, দুপুর ২:৩০

সুপার স্ম্যাশ, ২০২০/২১

নর্দান নাইটস  ক্যান্টারবুরি

২১ জানুয়ারি ২০২১, দুপুর ১২ টা

আফগানিস্তানের আরব আমিরাত সফর, ২০২১

আফগানিস্তান  আয়ারল্যান্ড

২১ জানুয়ারি ২০২১, দুপুর ১২ টা

বিগ ব্যাস, ২০২০/২১

অ্যাডিলেড স্ট্রাইকারস  ব্রিসবেন হিট

২১ জানুয়ারি ২০২১, দুপুর ২:৩০

বিগ ব্যাস, ২০২০/২১

হোবার্ট হারিকেনস উইকেটে জয়ী

৪৩তম ম্যাচ, ক্যানবেরা

সুপার স্ম্যাশ, ২০২০/২১

সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিকস উইকেটে জয়ী (ডি/এল পদ্ধতি)

১৯তম ম্যাচ, নিউ প্লেমাউথ

বিগ ব্যাস, ২০২০/২১

মেলবোর্ন স্টারস উইকেটে জয়ী

৪২তম ম্যাচ, মেলবোর্ন

সুপার স্ম্যাশ, ২০২০/২১

নর্দান নাইটস উইকেটে জয়ী (ডি/এল পদ্ধতি)

১৮তম ম্যাচ, অকল্যান্ড

বিগ ব্যাস, ২০২০/২১

সিডনি সিক্সারস উইকেটে জয়ী

৪১তম ম্যাচ, ক্যানবেরা

আফগানিস্তানের আরব আমিরাত সফর, ২০২১

১৮ জানুয়ারি ২০২১ -  ২৩ জানুয়ারি ২০২১

ইংল্যান্ডের শ্রীলংকা সফর, ২০২১

১৪ জানুয়ারি ২০২১ -  ২৬ জানুয়ারি ২০২১

সুপার স্ম্যাশ, ২০২০/২১

২৪ ডিসেম্বর ২০২০ -  ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১

বিগ ব্যাস, ২০২০/২১

১০ ডিসেম্বর ২০২০ -  ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০