প্রচ্ছদ / শূন্য সমাচার

শূন্য (০) কে আপাতদৃষ্টিতে খুব নিরিহ এবং সাদামাটা মনে হলেও এটি যখন কোন সংখ্যার ডানদিকে ক্রমান্বয়ে বসানো হয়, তখন কিন্তু সেই সংখ্যাটি বেশ শক্তিশালী-মহামূল্যবান হয়ে ওঠে। আর্যভট্ট সম্ভবত গণিত ইতিহাসেরই একজন অমর চরিত্র হয়ে থাকবেন এই 'শূন্যে'র বদৌলতে। দৈনন্দিন জীবন যেমন শূন্য ছাড়া কল্পনা করা কষ্টসাধ্য, তেমনি ক্রিকেট খেলায়ও শূন্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এই যেমন, কোন বোলার যদি কোন ব্যাটসম্যানকে শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে ফেরায় তাহলে কৃতিত্বটা যায় বোলারের ঝুলিতে অথচ যে ব্যাটসম্যান শূন্যতে ফিরে গেল, তার কপালে জোটে 'ডাক' এর তকমা৷ বড্ড বিচিত্র, তাইনা? 

 

ক্রিকেটীয় শূন্যকে 'ডাক' বা 'পাতিহাঁস' নামকরণের পেছনে অনেক ইতিহাস আছে। তবে সর্বাধিক নির্ভরযোগ্য ইতিহাস জানতে হলে আপনাকে ফিরে যেতে হবে ১৮৬৬ সালে। সে মৌসুমের এক ম্যাচে  রাজা সপ্তম এডওয়ার্ড (সেসময় তিনি প্রিন্স অব ওয়েলস ছিলেন) শূন্য রানে আউট হয়ে ফেরার পর পত্রিকার হেডলাইন হয়েছিল - "হাঁসের ডিম নিয়ে রয়্যাল প্যাভিলিয়নে ফিরলেন প্রিন্স!" এইতো শুরু! লোকমুখে 'ডাকস এগ' শব্দটা এতটাই জনপ্রিয়তা পেয়ে গেল যে সে থেকে 'ডাক' যেন ক্রিকেট  অভিধানেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। 

 

১৮৭৭ সালে ক্রিকেট ইতিহাসে ইংল্যান্ড - অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে হওয়া আন্তর্জাতিক প্রথম টেস্টে অজি ব্যাটসম্যান নেড গ্রেগরি সর্বপ্রথম শূন্য রানের লজ্জাজনক রেকর্ডটি গড়েন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে তাকে 'শূন্য রানের জনক' বলে অভিহিত করা হয়। ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রথম 'ডাক'টিও আসে এক অজি ব্যাটসম্যানের হাত ধরে, তিনি ওপেনার গ্রায়েম ওয়াটসন। নবীনতম ফর্মেট টি - টুয়েন্টিতে প্রথম শূন্যের রেকর্ডে অবশ্য কোন অজি ব্যাটসম্যানের নাম জড়িয়ে নেই, তবে আছে তাদের প্রতিবেশী দেশ নিউজিল্যান্ডের তারকা ক্রিকেটার এম এস সিনক্লেয়ারের নাম। 

 

সাদা পোশাকের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ৪৩ বার শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ডটি আছে বিখ্যাত ক্যারিবীয় পেসার কোর্টনি ওয়ালশের দখলে। ২য় অবস্থানে আছেন সাবেক কিউই পেসার ক্রিস মার্টিন (৩৬ বার)। ৩য় অবস্থানটি যিনি ধরে রেখেছেন, তিনি অজি স্পিডস্টার গ্লেন ম্যাকগ্রা (৩৫ বার)।

 

ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ সংখ্যক (৩৪ বার) শূন্য দর্শন করেছেন শ্রীলঙ্কান কিংবদন্তি সনাৎ জয়াসুরিয়া। ২য় অবস্থানেই আছেন পাক সুপারস্টার শহীদ খান আফ্রিদি (৩০ বার)। 'বুম বুম' খ্যাত আফ্রিদিকে কোনভাবেই ডাকের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই। কারণ, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে শুরু করে এমন কোন ফ্রাঞ্চাইজি লীগ নেই সেখানে তিনি শূন্যের দেখা পাননি! ওয়ানডেতে ডাক টেবিলের ৩ নম্বরে যৌথভাবে অবস্থান পাক কিংবদন্তি ওয়াসিম আকরাম এবং শ্রীলঙ্কান তারকা মাহেলা জয়াবর্ধনের। তারা উভয়ই ওয়ানডেতে মোট ২৮ বার শূন্য রানে ফিরেছেন। বিনোদনের পসরা সাজিয়ে বসা 'টি - টুয়েন্টি' নামক ধুন্ধুমার ফর্মেটেও ডাকের দেখা মেলে। এ ফর্মেটে সর্বাধিক ১০ বার শূন্যহাতে ফিরেছেন লঙ্কান ব্যাটসম্যান তিলকারত্মে দিলশান, পাক পেসার উমর গুল এবং আইরিশ ক্রিকেটার কেভিন ও'ব্রায়েন। 

 

ডাকের তালিকায় থাকা ক্রিকেটারদের মধ্যে যদি শুধু স্বীকৃত ব্যাটসম্যানদের খুঁজে বের করতে হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে লঙ্কান মারভান আতাপাত্তু এবং অজি স্টিভ ওয়াহর কথা না বললেই নয়। সাবেক এই দুই অধিনায়কের টেস্ট ক্যারিয়ারে জড়িয়ে আছে ২২ টি ডাকের তকমা। এর মধ্যে আতাপাত্তুর ক্যারিয়ারের প্রথম ছয় ইনিংসের পাঁচটিতেই ছিল শূন্য, বাকি এক ইনিংসে মাত্র ১! টেস্ট ক্রিকেটের দুই ইনিংসেই শূন্য রানে আউট হওয়াকে ক্রিকেটীয় ভাষায় 'পেয়ার' বলা হয়। টেস্ট ইতিহাসে সর্বাধিক পেয়ার এর রেকর্ডটি রয়েছে ক্রিস মার্টিনের ঝুলিতে (৭ বার)। 

 

টেস্ট ক্রিকেটে সবথেকে বেশি বয়সে (৫২ বছর ২৫৬ দিন) শূন্য রানে আউট হয়েছেন ইংলিশ অলরাউন্ডার উইলফ্রেড রোডস৷ আর সবচেয়ে কম বয়সে (১৬ বছর ২৩১ দিন) ডাকের দেখা পান বাংলাদেশের তালহা জুবায়ের। ওয়ানডেতে বুড়ো বয়সে শূন্যে কাটা পড়ার রেকর্ডটি অম্লান হয়ে আছে হল্যান্ডের নোলান ক্লার্কের কল্যানে। ৪৭ বছর ২৫৩ দিন বয়সে দূর্ভাগ্যজনক এই রেকর্ডের সাক্ষী হন তিনি। অপরদিকে সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে ওয়ানডে ডাকের মালিক বনে যান পাকিস্তানের হাসান রাজা (১৫ বছর ১৯১ দিন)। টেস্ট ইনিংসের প্রথম বলেই সর্বোচ্চ সংখ্যক (৩ বার) আউট হওয়ার নজির আছে ভারতীয় সুনীল গাভাস্কার এবং বাংলাদেশের হান্নান সরকারের। তবে সাদা পোশাকে সর্বাধিকবার 'গোল্ডেন ডাক' বা প্রথম বলে আউটের শিকার হয়েছেন মুত্তিয়া মুরালিধরন (১৪ বার)। টেস্টে সবথেকে বেশি (৭৭ বল) খেলে ডাক মারার রেকর্ডটা একান্তই কিউই পেসার জিওফ অ্যালটের। টেস্টে পঞ্চাশের বেশি বল খেলে ডাকের দেখা পাওয়া বাকি তিনজনই ইংরেজ- জেমস এন্ডারসন (৫৫), রিচার্ড এলিসন (৫২) এবং পিটার সুচ (৫১)। 

ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ ৩১ বল খেলে রানের খাতা খোলার আগেই প্যাভিলিয়নে ফিরে রেকর্ডটি নিজের করে নেন ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান রুনাকো মর্টন। পৃথিবীর একমাত্র ক্রিকেটার ইংল্যান্ডের ক্রিকেটার আর্থার মোল্ড, যিনি ক্যারিয়ারে খেলা  তিন টেস্টে তিন ইনিংসে ব্যাট করে কোন রানই করতে পারেননি। 

 

টেস্ট ক্রিকেটে টানা সবথেকে বেশিবার ডাক মারার রেকর্ডের তালিকায় যৌথভাবে রয়েছে তিনজন - বব হল্যান্ড, অজিত আগারকার এবং মোহাম্মদ আসিফ। তারা তিনজনই টানা ৫ টি করে ডাকের দেখা পেয়েছেন। আর ওয়ানডে ক্রিকেটে টানা ৪ ম্যাচে শূন্যে ফেরার রেকর্ডটি ধরে রেখেছেন মোট পাঁচজন ক্রিকেটার - ওয়েস্ট ইন্ডিজের গাস লগি, শ্রীলঙ্কার গালাগে বিক্রমাসিংহে, জিম্বাবুয়ের হেনরি ওলোঙ্গা, ইংল্যান্ডের ক্রেইগ হোয়াইট এবং শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গা। টেস্ট ম্যাচে দুই অধিনায়কের গোল্ডেন ডাকের রেকর্ড না থাকলেও 'পেয়ার' এর ঘটনা আছে একটি। ২০১৮ সালের সেঞ্চুরিয়ন টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস এবং পাক অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ দুই ইনিংসেই আউট হন শূন্য রানে। অপরদিকে ওয়ানডে ক্রিকেটে একই ম্যাচের দুই অধিনায়কের গোল্ডেন ডাকের রেকর্ড আছে একটি। ২০১৮ সালে ভারতীয় কাপ্তান ভিরাট কোহলি এবং ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক কাইরন পোলার্ড - দুজনেই সেদিন গোল্ডেন ডাকের শিকার হয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরেন। 

 

টেস্ট এবং ওয়ানডে- দুই অভিষেকেই প্রথম বলে শূন্য রানে আউট হওয়া ক্রিকেটার ২ জন - অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন ম্যাকগ্রা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের চ্যাডউইক ওয়ালটন। ওয়ানডে অভিষেকে শূন্য রানে ফিরতে দেখা যায় অনেক ক্রিকেটারকেই তবে ক্যারিয়ারের প্রথম দুই ওয়ানডেতেও শূন্যের দেখা পেয়ে পরবর্তীতে সফল হয়েছেন এমন ক্রিকেটারদের তালিকায় শচীন টেন্ডুলকার এবং কেন উইলিয়ামসনের নাম উল্লেখযোগ্য। টেস্টে ওপেনার হিসেবে সবথেকে বেশিবার শূন্যের দেখা পেয়েছেন ইংল্যান্ডের মাইক আথারটন (১৭ বার)। আর ওয়ানডেতে এই রেকর্ডটি নিজের করে নিয়েছেন লঙ্কান গ্রেট সনাৎ জয়াসুরিয়া (২৯ বার)। 

 

রান আউট টেস্ট ক্রিকেটের অন্যতম বিরক্তিকর একটি অধ্যায়। টেস্টে এই ঝামেলায় পড়ে শূন্য রানে সবথেকে বেশিবার কাটা পড়েছেন অস্ট্রেলিয়ার রডনি হগ এবং পাকিস্তানের দানিশ কানেরিয়া (৪ বার)। আর ওয়ানডেতে ৩ বার রান আউটে শূন্যে কাটা পড়েছেন পাকিস্তানি লেগ স্পিনার আব্দুল কাদির। টেস্ট অভিষেকে 'পেয়ার' এর তালিকায় ৩৭ জনের নাম থাকলেও কিছু গ্রেটদের নামও খুঁজে পাওয়া যায় এই তালিকায় - ডব্লিউ জি গ্রেস, গ্রাহাম গুচ, সাঈদ আনোয়ার, কেন রাদারফোর্ড, মারভান আতাপাত্তু। উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে সবচেয়ে বেশি ১৭ বার শূন্য করেন পাকিস্তানের ওয়াসিম বারি। ওয়ানডেতে এ জায়গাটায় স্থান নিয়েছেন শ্রীলঙ্কান রমেশ কালুভিতারানা (২৪ বার)। 

 

ওয়ানডেতে সবথেকে বেশি টানা ১২০ ইনিংসে শূন্যহীন ছিলেন 'দ্য ওয়াল' খ্যাত রাহুল দ্রাবিড়। একশর বেশি ওয়ানডে খেলে শূন্যহীন থাকার গৌরব অর্জন করেন নিউজিল্যান্ডের মার্টিন ক্রো এবং দক্ষিণ আফ্রিকার কেপলার ওয়েসেলস। টেস্ট ক্রিকেটে শুধুমাত্র একজন ব্যাটসম্যানের রয়েছে একশর বেশি ইনিংসে ব্যাট করে শূন্য হীন থাকার রেকর্ড। আর তিনি ইংল্যান্ডের ডেভিড গাওয়ার। ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রথম শূন্যের দেখা পাওয়ার আগে ৭২ টি ইনিংস খেলেন শ্রীলঙ্কান কুমার ধর্মসেনা, যা আজও রেকর্ড। টেস্টে এ রেকর্ডে স্বমহিমায় উজ্জ্বল আছেন জেমস এন্ডারসন (৫৪ ইনিংস)। পুরো ক্যারিয়ারে কখনো শূন্য রানে আউট না হয়ে সবচেয়ে বেশি টেস্ট ইনিংস (৪৪) খেলেছেন সাবেক অজি ওপেনার জিম বার্ক। 

 

ব্যাট হাতে শূন্যের রেকর্ডবুকে যেমন গ্লেন ম্যাকগ্রার নাম রয়েছে, তেমনি বল হাতেও ব্যাটসম্যানদের শূন্যে ফেরাতে তার জুড়ি মেলা ভার। টেস্ট ক্রিকেটে ১৭৬ জন ব্যাটসম্যানকে শূন্য রানে ফিরিয়েছেন তিনি! ওয়ানডেতে এই রেকর্ডে জ্বলজ্বল করছে ওয়াসিম আকরামের নাম। রঙ্গিন পোশাকের খেলায় ১১০ জন ব্যাটসম্যানকে খালি হাতে প্যাভিলিয়নে পাঠিয়েছেন তিনি। টেস্টে শূন্য রানে সর্বাধিক নট আউট থেকেছেন ক্রিস মার্টিন (২৬ বার), ওয়ানডে এ স্থানটি ধরে রেখেছেন গ্লেন ম্যাকগ্রা (১৮ বার)। 

 

টেস্ট এবং ওয়ানডে- উভয় ফর্মেটেই অধিনায়ক হিসেবে সর্বোচ্চবার শূন্য রানে সাজঘরে ফিরেছেন কিউই কাপ্তান স্টিফেন ফ্লেমিং (টেস্টে ১৩ বার ও ওয়ানডেতে ১৪ বার)। টেস্ট ইনিংসের প্রথম বলেই প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানকে সর্বাধিক (২ বার) আউট করার কৃতিত্ব রয়েছে চার বোলারের - জিওফ আর্নল্ড, রিচার্ড হ্যাডলি, কপিল দেব এবং পেড্রো কলিন্সের৷ 

 

ক্রিকেটের তিন ফর্মেট মিলিয়ে সবথেকে সবথেকে বেশি উইকেটের মালিক মুত্তিয়া মুরালিধরন একটি লজ্জাজনক রেকর্ডের সাক্ষী। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি শূন্যের রেকর্ডটি তার দখলে (৫৯ টি), ২য় ও ৩য় স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে কোর্টনি ওয়ালশ (৫৪) এবং সনাৎ জয়াসুরিয়া (৫৩)। অধিনায়ক হিসেবে 'পেয়ার' পাওয়া ১৯ জন ক্রিকেটারদের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশের হাবিবুল বাশারের নাম। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১৮ টি ডাক মারার লজ্জাকর রেকর্ডের সাক্ষীও তিনি। তবে হয়তো খুব বেশিদিন এ তালিকার শীর্ষস্থানটি তার দখলে থাকবেনা। কারণ, সমান সংখ্যক ডাক নিয়েই যে তার ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন তামিম ইকবাল! 

  • ট্যাগস

এ বিভাগের আরও নিউজ

২১ বছরের শিশুর ব্যর্থতার বৃত্তে ঘুরপাক

২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১, দুপুর ১:২২

মুহাম্মদ আশিক সৈকতঃ একদা এক সময় ছিল যখন একেকটা ক্রিকেট ম্যাচের ব্যাপ্তি হতো ছয়-সাতদিন কিংবা আটদিন, এরপরে সেটি নেমে আসলো পাঁচদিনে। পরবর্তী জামানায় ক্রিকেটের পালে রঙ্গিন হাওয়া লাগার

টেস্টে দেশের হয়ে প্রথম দশ সেঞ্চুরির কীর্তি

শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, সকাল ১১:১৭

মুহাম্মদ আশিক সৈকতঃ আয়ারল্যান্ড এবং আফগানিস্তান টেস্ট পরিবারের সদস্য হওয়ার আগে বাংলাদেশ ছিল এই সম্ভ্রান্ত পরিবারের নবীনতম সদস্য। ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্তির দুই দশক পেরিয়ে

ক্রিকেট ময়দানে আলোড়িত উপস্থাপিকা

শুক্রবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, দুপুর ৩:২১

মুহাম্মদ আশিক সৈকতঃ একাবিংশ শতাব্দীতে ক্রিকেট শুধুমাত্র মাঠ আর গ্যালারির মাঝেই সীমাবদ্ধ নেই। নানা রংয়ের বাণিজ্যের মোড়লে ক্রিকেট আজ একটি শিল্পের নাম। মাঠ কিংবা মাঠের বাইরে ম্যাচ বিশ

পিসিএল, ২০২১

ইসলামাবাদ ইউনাইটেড  কোটা গ্ল্যাডিয়েটরস

অস্ট্রেলিয়ার নিউজিল্যান্ড সফর, ২০২১

নিউজিল্যান্ড  অস্ট্রেলিয়া

৩ মার্চ ২০২১, দুপুর ১২ টা

পিসিএল, ২০২১

করাচি কিংস  পেশোয়ার জালমী

পিসিএল, ২০২১

কোটা গ্ল্যাডিয়েটরস  মূলতান সুলতানস

ইংল্যান্ডের ভারত সফর, ২০২১

ভারত  ইংল্যান্ড

৪ মার্চ ২০২১, সকাল ১০টা

পিসিএল, ২০২১

পেশোয়ার জালমী উইকেটে জয়ী

৮ম ম্যাচ, করাচি

পিসিএল, ২০২১

মূলতান সুলতানস উইকেটে জয়ী

৭ম ম্যাচ, করাচি

অস্ট্রেলিয়ার নিউজিল্যান্ড সফর, ২০২১

নিউজিল্যান্ড রানে জয়ী

২য় টি-টুয়েন্টি, ডুনেডিন

পিসিএল, ২০২১

ইসলামাবাদ ইউনাইটেড উইকেটে জয়ী

৬ষ্ঠ ম্যাচ, করাচি

পিসিএল, ২০২১

পেশোয়ার জালমী উইকেটে জয়ী

৫ম ম্যাচ, করাচি

অস্ট্রেলিয়ার নিউজিল্যান্ড সফর, ২০২১

২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ -  ৭ মার্চ ২০২১

পিসিএল, ২০২১

২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১ -  ২২ মার্চ ২০২১

ইংল্যান্ডের ভারত সফর, ২০২১

৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ -  ২৮ মার্চ ২০২১